ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি,মোঃ শাহাদাৎ হোসেন।
ফরিদপুর জেলা নগরকান্দা উপজেলা আকরামুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আজ ৩০/০৫/২৬ ইং তারিখে বিকাল ৩ ঘটিকার আকরামুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়।
উক্ত দোয়া মাহফিলে ,, সভাপতিত্ব করেন :- নগরকান্দা উপজেলা বিএনপিরা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার ।
সঞ্চালনায় : নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব শওকত আলী শরীফ।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন :- দক্ষিণবঙ্গের অহংকার নগরকান্দা সালথার রাজনৈতিক অভিভাবক নগরকান্দা সালথা হৃদয়ের স্পন্দন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সাংগঠনিক সম্পাদক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব শামা ওবায়েদ ।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়-রহমানের রাজনৈতিক সংক্ষিপ্ত বিবরণ ।
-------------------------------------------জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে
পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে তিনি 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল' (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন।
একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রবর্তন করেন।
জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবনরাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ ও সামরিক আইন ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেনাপ্রধানের পাশাপাশি দেশের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং পরবর্তীতে উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল তিনি বাংলাদেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।হ্যাঁ/না ভোট এবং রাজনৈতিক সংস্কাররাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৯৭৭ সালের ৩০ মে তিনি একটি গণভোট বা 'হ্যাঁ/না ভোট'-এর আয়োজন করেন।
এতে ব্যাপক জনসমর্থন পাওয়ার পর তিনি দেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় চালুর অনুমতি দেন। এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। নতুন রাজনৈতিক দর্শন ও দল গঠন জিয়াউর রহমান 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ'-এর নতুন রাজনৈতিক দর্শন প্রবর্তন করেন।
এই আদর্শের ওপর ভিত্তি করে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল' (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও শাসনকাল ১৯৭৮ সালের ৩ জুন অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতির ম্যান্ডেট লাভ করেন।
তার শাসনামলে দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কৃষি সংস্কার (যেমন: সেচ ও খাল খনন কর্মসূচি), এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।
বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়। এছাড়া তার সময়েই ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
পররাষ্ট্রনীতি ও উন্নয়ন কর্মসূচিজিয়াউর রহমান তার রাজনৈতিক মেয়াদের শুরুতেই '১৯ দফা কর্মসূচি' ঘোষণা করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল।
আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
তার পররাষ্ট্রনীতি ছিল অত্যন্ত বলিষ্ঠ, যার ফলশ্রুতিতে তিনি সার্ক (SAARC) গঠনের প্রাথমিক প্রস্তাবনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
রাজনৈতিক জীবনের অবসান ১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তিনি নির্মমভাবে নিহত হন।
জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে ১৯ দফা, ইতিহাসের বাঁকবদলে
প্রেসিডেন্ট ...YouTube · EKHON TVজিয়াউর রহমান - উইকিপিডিয়াজিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা।
প্রধান অতিথি বলেন ; শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের কথা বাংলার ইতিহাসে স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে তারে ধারাবাহিত বাংলার বুকে চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ তিনি আরো বলেন,, সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য এমপি সহ মন্ত্রী পরিষদ কঠোর হাতে দেশ পরিচালনা করবেন বলে তিনি আশাবাদী ।
১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। এর আগে ২৬ মার্চ তিনি নিজ নামে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করেছিলেন বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক দলিলে উল্লেখ রয়েছে।জিয়াউর রহমান তার ঐতিহাসিক ঘোষণায় বলেছিলেন:"আমি, মেজর জিয়াউর রহমান, এতদ্বারা ঘোষণা করছি যে, স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি সকল বাঙালিকে পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণের বিরুদ্ধে জেগে ওঠার আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের মাতৃভূমিকে মুক্ত করতে আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করব।"বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ভিন্নমত ও বিতর্ক রয়েছে—ঘোষক বিতর্ক: অনেকে মনে করেন তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে তবে জিয়াউর রহমানের অনুসারি ও বিএনপিপন্থী ইতিহাসবিদদের মতে, ২৫শে মার্চের কালোরাতের পর যখন রাজনৈতিক নেতৃত্ব আড়ালে চলে যান, তখন ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান বেতারে নিজেকে সাময়িক রাষ্ট্রপতি দাবি করে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করেছিলেন। পরবর্তীকালে ২৭ মার্চ তিনি তা সংশোধন করে সার্বিক প্রেক্ষাপটে, তাঁর দেওয়া এই ঘোষণাই তখন সারা দেশের মুক্তিকামী মানুষকে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে এক বিশাল অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক: ঐতিহাসিক দলিল | এক নজরে - BSSMar 25, 2025 — ... 'চট্টগ্রামে অস্ত্র হাতে লড়াইরত মেজর জিয়াউর রহমান
বাংলাদেশের...Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ দেশের ক্রান্তিলগ্নে ...May 30, 2025 — ৫০ বছর আগের টা ৫০ বছর আগে চলে গেছে। দয়া এইসব নিয়ে তেল মাখামাখি করে আগের সরকার এর মত ডুইবেন না । বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক - তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান পুনরায় স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী মার্কিন যু...Wikipediaজিয়া : স্বাধীনতার ঘোষক - দৈনিক ইনকিলাব১৯৭১ সালের মার্চ মাসে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রথম প্রহরেই মেজর জিয়াউর রহমান নিজেকে প্রভিশননাল প্রেসিডেন্ট হিসেবে উল্লেখ করে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দেন । বাংলাদেশের...দৈনিক ইনকিলাব জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সাহসিকতার পরিচয় দেন : ফজলুর ...May 30, 2026 — জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে বক্তব্য দিচ্ছেন ফজলুর রহমান। ছবি : কালবেলা. X. জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে বক্তব্য দিচ্ছেন ফজলুর রহমান। ক...কালবেলা জিয়াউর রহমানের ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল: রিজভীMay 30, 2026 — বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের শূন্যতার মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন । উইকিপিডিয়াআমি, মেজর জিয়াউর রহমান, এতদ্বারা ঘোষণা করছি যে, স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি সকল বাঙালিকে পশ্চিম ..
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে যে সময়ে বিতর্ক তোলা হয় - তা সবই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এই বিতর্ক অবাস্তব এবং অবান্তর। একাত্তরের মার্চে মহান নেতা চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন
উক্ত দোয়া মাহফিলে সভাপতি স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপনী ঘোষনা করেন ।
দৈনিক চেতনার কন্ঠ