নদ-নদী বেষ্টিত, সীমান্তঘেঁষা ও হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত জেলা কুড়িগ্রাম। হাড় কাঁপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় যবুথবু হয়ে পড়েছে এ জেলার জনজীবন। চলতি মৌসুমে শীত যেন রাতভর বৃষ্টির মতো ফোঁটায় ফোঁটায় ঝরে পড়ছে কুয়াশা।
প্রতিদিন বিকাল থেকে শুরু করে পরদিন সকাল ১১টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ। এর সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। বেলা গড়ালেও দেরিতে সূর্যের দেখা মিলছে, ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ। গত তিন দিন ধরে জেলায় সূর্যের মুখ ঠিকমতো দেখা যায়নি।
ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার কারণে কাজে যেতে পারছেন না অনেক শ্রমজীবী মানুষ। তারা বলেন,
“কাজ না করলে পেটে ভাত জোটে না। কিন্তু এই শীতে কাজ করলে হাত-পা জ্বালা করে, শরীর কামড়ায়।”
তারা আরো ,
“আমরা গরিব মানুষ, কম্বল কেনার টাকা নাই। এখন পর্যন্ত কোনো মেম্বার বা চেয়ারম্যান আমাদের কম্বল দেয়নি।”
এদিকে অতিরিক্ত শীতের প্রভাবে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শীতজনিত রোগ বাড়ছে।
জেলার বিভিন্ন চর ও প্রত্যন্ত এলাকায় শীতবস্ত্রের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
দৈনিক চেতনার কন্ঠ