মাসুদ চৌধুরী সাঈদ:
৩০ বছর আগের ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর করার জন্য ব্যক্তি স্বার্থন্বেষীরা পাঁয়তারা করছে। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মানিকগঞ্জে শিবালয় উপজেলা শিমুলিয়া ইউনিয়নে খালিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর করে পার্শ্ববর্তী গ্রাম বেজপাড়াতে নেয়ার জন্য নিজ বা ব্যক্তি স্বার্থে স্থানান্তর করার জন্য মরিয়া হইয়া পড়েছে একটি চক্র। শিমুলিয়া ইউনিয়নে ৪ নং ওয়ার্ড- খালিশা, স্বল্পধারা, ইশাখাবাদ, ফেচুয়াধারা, বিল বড়িল ও বেজপাড়া ৬ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত।
সরেজমিনে দেখা যায়, এ ৬ গ্রামের মধ্যবর্তী এলাকা খালিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রায় ৩০ বছর আগে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সকলের সুবিধার্থে এ ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়। এভাবেই আজ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করে আসছে এলাকার ভোটারগণ। কিছু কুচক্রী স্বার্থন্বেষীরা ভোটকেন্দ্র স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে বেজপাড়া নিয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
এলাকাজুড়ে চলছে ক্ষোভ। ভোটকেন্দ্র পূর্ণ বহাল রাখার পক্ষে গণস্বাক্ষর ও দরখাস্ত দেন নির্বাচন কমিশনে। এনিয়ে নির্বাচন কমিশন একবার তদন্ত করলেও সেটি বিরুদ্ধে নারাজ দেন এলাকাবাসী। ভোটকেন্দ্র পূর্ণ বহাল রাখতে মানিকগঞ্জ-১ আসন সাংসদ এস এ জিন্নাহ কবির উপজেলা ও জেলা নির্বাচন কমিশনে ডিও লেটার প্রদান করেন ভোটকেন্দ্র পূর্ণ বহাল রাখতে। এ বিষয়ে পুনরায় তদন্তে নামে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ ইউনুস আলীসহ একটি দল।
এ সময় আরো ছিলেন, শিবালয় উপজেলা নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা মোঃ ফরহাদ আলম, শিমুলিয়া ইউপি প্রশাসক মোঃ দবির উদ্দিন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোবারক হোসেন মুকুল, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আরশেদ আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হালিম মোল্লা, প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সাইদুর রহমান, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ লোকমান কাজী, শিমুলিয়া ইউপি সকল সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সকলের উপস্থিতিতে, সুবিধা, অসুবিধা পর্যালোচনার মাধ্যমে জানাজায় খালিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এলাকাবাসীর দাবি এখানেই ভোটকেন্দ্র থাকলে সকলের সুবিধা হবে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ ইউনুস আলী বলেন, এলাকার জনসাধারণ ও ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটকেন্দ্র স্থাপন। তাই জনসাধারণ ও ভোটারদের সুবিধায় আমাদের কাম্য। আমরা আমরা সরোজমিনে এসে তদন্ত করেছি, এবং তদন্ত প্রতিবেদন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে জমা দেবো। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত দিবেন।
দৈনিক চেতনার কন্ঠ