স্টাফ রিপোর্টার।
মাদারীপুরের রাজৈরে ৫০ সয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ১০০ এর বেশি অধিক রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে স্বল্প ডাক্তার ও নার্স সকলে ।
বর্তমান বিএনপি সরকার আসার পর যদিও ১০০ শয্যার হাসপাতাল করার প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু প্রায় কয়েক মাস শেষ হয়ে গেলেও তার কোন কার্যক্রম সাধারণ মানুষের চোখে পড়ে না ।
পূর্বের তুলনায় রাজৈর উপজেলায় জনসংখ্যার হার বেড়েছে সে কারণেই হাসপাতালে রোগীর চাপ ও বেড়েছে।
অতি দ্রুত রাজৈর উপজেলার সাধারণ মানুষ সুষ্ঠ সেবা পাই তার সুব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব।
হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ ডাক্তার শামীম আক্তার তিনি সার্বক্ষণিক সাধারণ মানুষের সেবা দেওয়ার জন্য চিন্তা ভাবনা করেন তিনি নিজেও এই হাসপাতালকে কিভাবে উন্নতি করা যায় সে ব্যাপারেও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অতি দ্রুত রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০০ শয্যায় বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা সেবা নিতে পারে সে বিষয়ে বর্তমান সরকারের প্রতি বিশেষভাবে আহবান করছে রাজৈর উপজেলা বাসি
আজ ১৮ অক্টোবর রোজ রবিবার ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা মোট ১৪ জন। পুরুষ ডেঙ্গু রোগী ১১ জন ,মহিলা ২ জন বালিকা ১ জন । রোগীরা হাসপাতালে বেড না পেয়ে হাসপাতালের বারান্দায় চিপায় চাপায় ফ্লোরে বেড করে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে। তুলনামূলকভাবে এখানে কোন ভালো চিকিৎসক না থাকায় রোগীর স্বজনরা দূর-দূরান্তে ভালো হাসপাতালের শরণাপন্ন হচ্ছে । এই হাসপাতালে প্রতিমাসে রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় যে ওষুধ বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাহা অতি সীমিত, সরকারি বরাদ্দ ঔষধ মাসের ১৫ - ২০ তারিখ হলেই শেষ হয়ে যায়।
দ্রুত সরকারের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষ হাসপাতালে এসে যাতে সেবা পায় ওষুধ পাই সে বিষয়ে সরকারপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া দরকার, এবং ডাক্তার-নার্স সব দপ্তরের জনবল বাড়ানোর দরকার ।
বর্তমানে সরকারি হাসপাতালে রোগীদের চেকাবের অধিকাংশ যন্ত্রপাতি বিকল, বর্তমানে বিদ্যুতের যে সমস্যা তার বিকল্প হিসেবে হাসপাতালে একটি ইঞ্জিন জেনারেটর রয়েছে জ্বালানী তেলের অভাবে সেটাও চালানো সম্ভব হয় না , অসুস্থ রোগীরা খুবই অসহায় হয়ে পড়ে সে বিষয়ে সরকারি নজরদারি একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করে সাধারণ মানুষ ।
দৈনিক চেতনার কন্ঠ