ঢাকা | বঙ্গাব্দ

চড়া দামেও মিলছে না সার, নাচোলে কৃষকদের হাহাকার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 8, 2026 ইং
চড়া দামেও মিলছে না সার, নাচোলে কৃষকদের হাহাকার ছবির ক্যাপশন: দৈনিক চেতনার কন্ঠ
ad728
নাচোল প্রতিনিধিঃ
মোঃ ইসমাইল হোসেন। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে রাসায়নিক সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়েও সার পাচ্ছেন না স্থানীয় কৃষকরা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি বাড়তি টাকা দিয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সার। ফলে ভরা মৌসুমে মাঠের ফসল নিয়ে চরম অসহায়ত্বের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকরা।
সরেজমিনে নাচোলের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সারের দোকানগুলোর সামনে কৃষকদের দীর্ঘ লাইন। ভোর থেকে শুরু করে তীব্র রোদ-গরম উপেক্ষা করে শত শত কৃষক লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর অনেককেই খালি হাতে বাড়ি ফিরে যেতে দেখা যাচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, খুচরা বাজারে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি এবং পটাশ সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রাখা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু সেই বাড়তি টাকা দিতে রাজি হলেও সময়মতো সার পাওয়া যাচ্ছে না।

লাইন দাঁড়িয়ে থাকা এক ভুক্তভোগী কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, "ভোর ৫টায় এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। এখন দুপুর পার হয়ে গেল, অথচ এক বস্তা সারও কপালে জুটল না। পকেটে বাড়তি টাকা নিয়েও সারের জন্য ভিক্ষুকের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। আমাদের এই কষ্ট দেখার যেন কেউ নেই।"
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনের সঠিক নজরদারি এবং মাঠ পর্যায়ে তদারকির অভাবেই সারের বাজারে এই অরাজকতা তৈরি হয়েছে। ডিলারদের একাংশ এবং মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেট সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, যার সরাসরি খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ চাষিদের। সময়মতো জমিতে সার দিতে না পারলে ফসলের ফলন বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
কৃষকদের এই চরম দুর্ভোগ দূর করতে এবং সারের বাজার স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন উপজেলার সর্বস্তরের চাষিরা। তাদের দাবি, অবিলম্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে সারের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা হোক।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চেতনার কন্ঠ

কমেন্ট বক্স
আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের

আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের