ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ভোলাহাটের বিলভাতিয়ার ঐতিহ্য দিন দিন হারিয়ে চলেছে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 21, 2026 ইং
ভোলাহাটের বিলভাতিয়ার ঐতিহ্য দিন দিন  হারিয়ে চলেছে ছবির ক্যাপশন: দৈনিক চেতনার কণ্ঠ
ad728
 রনি রজব
 (স্টাফ  রিপোর্টার) 


 চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট ও বিলভাতিয়ার ঐতিহ্য
 বলতে মূলত এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য (বিলভাতিয়া), আম ও রেশম চাষের সমৃদ্ধি, ঐতিহাসিক গৌড়ের সান্নিধ্য, মহানন্দা নদীর প্রভাব এবং প্রাচীন স্থাপনা ও হাট-বাজারকে বোঝানো হয়, যা উপজেলাটির অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিল বিলভাতিয়া তার জীববৈচিত্র্য ও অপরূপ নিসর্গের জন্য বিখ্যাত, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করে। 
মূল ঐতিহ্যসমূহ:
বিলভাতিয়া: ১৯ হাজার বিঘারও বেশি আয়তনের এই বিলটি জীববৈচিত্র্য, দেশি মাছ ও জলজ উদ্ভিদে ভরপুর এবং অতিথি পাখির বিচরণক্ষেত্র, যা পর্যটনের অপার সম্ভাবনা বহন করে।
আম ও রেশম: ভোলাহাট উন্নতমানের আম ও রেশম চাষের জন্য পরিচিত, যা এখানকার অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখে।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব: এটি প্রাচীন গৌড় নগরীর উপশহর ছিল এবং মহানন্দা নদীর পলিগঠিত উর্বর ভূমি (দিয়াড়) রেশম ও নীল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত ছিল।
শিল্প ও সংস্কৃতি: রেশম বোর্ড, কুটিয়াল বণিকদের গুটি শুকানোর মেশিন এবং প্রাচীন মসজিদ ও হাট-বাজার এখানকার সংস্কৃতির অংশ।
ভৌগোলিক অবস্থান: এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী হওয়ায় এর একটি স্বতন্ত্র ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রয়েছে। 
সংক্ষেপে, বিলভাতিয়ার প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য এবং আম-রেশমের অর্থনৈতিক গুরুত্বের সাথে মিশে আছে এর প্রাচীন ইতিহাস ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য, যা ভোলাহাটকে একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে পরিচিত করেছে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চেতনার কন্ঠ

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দক্ষতা উন্নয়নে নজর কম, ফ্রিল্যান্সার তৈরির হিড়িক

দক্ষতা উন্নয়নে নজর কম, ফ্রিল্যান্সার তৈরির হিড়িক