মোঃ মাইদুল ইসলাম
কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মৃত গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে নাইনুল ইসলাম নামের এক কসাইকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) শেষ বিকেলে উপজেলার সোনাহাট কলেজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জরিমানাপ্রাপ্ত নাইনুল ইসলাম উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বিকেলে পশুসম্পদ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই একটি মৃত গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করছিলেন নাইনুল ইসলাম। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাকে আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম তারেকের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে পশুসম্পদ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও লাইসেন্স ছাড়া মৃত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে নাইনুল ইসলামকে ১১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় পশুসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, ভূরুঙ্গামারী থানা-পুলিশ, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
আগেও অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ
এর আগে গত বছর ভূরুঙ্গামারী বাজারে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ ওঠে। সে সময় জরিমানা না করে মাংস জব্দ করে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় সংবাদ প্রকাশ করায় কয়েকজন মাংস ব্যবসায়ী এক সাংবাদিকের ওপর ক্ষিপ্ত হন। পরে ওই ক্ষোভের জেরে দুইজন মাংস ব্যবসায়ী (মোজাম্মেল ও সাইফুর) ওই সাংবাদিককে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত গরুর মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রির ঘটনা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
দৈনিক চেতনার কন্ঠ