নিজ এলাকার জনদূর্ভোগ, সামাজিক অবক্ষয়সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরে সমাজের এক নিঃশব্দ দর্পণে পরিণত হয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম, যিনি সামাজিক মাধ্যমে “তাজু ২.০” নামে পরিচিত ছিলেন। পেশাগতভাবে সাংবাদিক না হলেও, তার কাজ ও দৃষ্টিভঙ্গি ছিল একজন প্রতিশ্রুতিশীল চিত্র সাংবাদিকের মতোই।
তাজু ২.০ তার ক্যামেরাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন নিরলসভাবে। অবহেলিত জনপদের সমস্যা, মানুষের দুর্ভোগ, এবং সমাজের নানামুখী অসংগতি তিনি নিজের দৃষ্টিতে ধারণ করে সবার সামনে উপস্থাপন করেছেন। তার এই প্রচেষ্টা শুধু সচেতনতা সৃষ্টি করেনি, বরং অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এমন বাস্তবতার দিকে, যা অনেকেই এড়িয়ে যান।
তার কাজ প্রমাণ করে—দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করতে বড় কোনো পরিচয়ের প্রয়োজন নেই; প্রয়োজন কেবল আন্তরিকতা, দায়বদ্ধতা এবং স্বদিচ্ছা। একজন সাধারণ মানুষও চাইলে সমাজ পরিবর্তনের অংশ হতে পারেন—তাজু ২.০ তার উজ্জ্বল উদাহরণন
তার এই প্রয়াস এবং আত্মত্যাগ আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
দৈনিক চেতনার কন্ঠ