প্রিন্ট এর তারিখঃ Feb 26, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jan 19, 2026 ইং
ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা ও অবদান বেশি

(স্টাফ রিপোর্টার) চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা ও সম্ভাবনা দুটোই বেশি, কারণ এখানকার মাটি রেশম চাষের জন্য খুবই উপযোগী এবং এটি বাংলাদেশের প্রায় ৭৫% রেশম উৎপাদন করে, যেখানে সরকারি সহায়তা (যেমন: তুঁত চারা ও উপকরণ) এবং বিনা খরচে অধিক লাভের কারণে চাষিরা আগ্রহী, যদিও সুতার আমদানি নির্ভরতা ও আগের তুলনায় কিছুটা কমে যাওয়ায় ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এই শিল্প গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
চাহিদা ও
ঐতিহ্য ও পরিচিতি: ভোলাহাট রেশম চাষের 'মাতৃভূমি' হিসেবে পরিচিত এবং এটি এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ঐতিহ্য।
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি: কম খরচে বেশি লাভ এবং সরকারি সহায়তা (যেমন বিনামূল্যে তুঁত চারা ও উপকরণ) পাওয়ায় চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
কর্মসংস্থান: এটি স্থানীয় বহু পরিবারে, বিশেষত নারী ও ভূমিহীনদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।
রেকর্ড উৎপাদন: অনুকূল পরিবেশ ও চাষিদের আগ্রহের কারণে ভোলাহাটে রেশম উৎপাদন রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
বর্তমান অবস্থা ও চ্যালেঞ্জ:
উত্থান-পতন: একসময় ব্যাপক উৎপাদন হলেও, কিছু কারণে (যেমন ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, উদাসীনতা) চাষ কমে গিয়েছিল, যা এখন আবার বাড়ছে।
আমদানি নির্ভরতা: রেশম বস্ত্রের সুতা এখনো আমদানিনির্ভর, যা একটি চ্যালেঞ্জ।
সরকারি উদ্যোগ: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড তুঁত গাছ ও উপকরণ সরবরাহ করে চাষিদের সহায়তা করছে, যা এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করছে।
সামগ্রিক চিত্র:
ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, জাতীয় পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশের রেশম সরবরাহের একটি বড় অংশ যোগান দেয় এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে সাহায্য করে।
© দৈনিক চেতনার কন্ঠ