মানবিকতা যেখানে দিন দিন দুর্লভ হয়ে উঠছে, সেখানে নীরবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রহনপুর ইউনিয়নের গর্বিত সন্তান খাদেমুল ইসলাম মনি। সমাজের অবহেলিত, অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য যিনি নিজেকে নিবেদিত করেছেন—তাঁকেই আজ মানুষ ভালোবেসে ডাকছে “মানবতার ফেরিওয়ালা” নামে। খাদেমুল ইসলাম মনি শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি একটি মানবিক চেতনার নাম। শীতের কনকনে ঠান্ডায় শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো, অসুস্থ দরিদ্র রোগীর চিকিৎসা সহায়তা, এতিম ও অসহায় শিশুদের জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ—এসব কর্মকাণ্ডে তাঁর উপস্থিতি ছিল সবসময়ই নিঃস্বার্থ ও নিরবচ্ছিন্ন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তিনি কখনোই প্রচারের জন্য কাজ করেন না। লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে মানুষের কষ্ট লাঘবে কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। তাঁর এই নিরহংকার মানবিক উদ্যোগ এলাকাবাসীর হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাদেমুল ইসলাম মনি এমন একজন মানুষ যিনি বিপদে পড়লে প্রথমে ছুটে আসেন এবং শেষ পর্যন্ত পাশে থাকেন। রাজনৈতিক কিংবা সামাজিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি মানুষের মানুষ হিসেবেই কাজ করে যাচ্ছেন। রহনপুর ইউনিয়নের এই আলোকিত সন্তান আজ শুধু একটি এলাকার নয়, পুরো সমাজের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তাঁর মতো মানবিক মানুষদের হাত ধরেই সমাজে মানবতা বেঁচে থাকে, আলোর পথ খুঁজে পায় অন্ধকারে থাকা মানুষগুলো। মানবতার এই নিরলস যোদ্ধার জন্য রহনপুর ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাঁর এই মানবিক যাত্রা আরও বহুদূর বিস্তৃত হোক—এই কামনাই সকলের।